in ,

আমিরাতের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার বড় জয়

মাধ্যম, খেলাধূলা : আগের ম্যাচে নামিবিয়ার কাছে ৫৫ রানে হারের ক্ষত ছিলই। এই ম্যাচ হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় প্রায় নিশ্চিত- শ্রীলঙ্কার সমীকরণটা ছিল এমনই। তবে শেষ পর্যন্ত আর নতুন করে অঘটন ঘটেনি।

মঙ্গলবার জিলংয়ের জিএমএইচবিএ স্টেডিয়ামে আরব আমিরাতক ৭৯ রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ব্যাট হাতে ৭৩ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন পাথুম নিশাঙ্কা।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বড় স্কোরের পথেই ছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু ইনিংসের ১৫ নম্বর ওভারে এসে বলহাতে জাদু দেখান আমিরাতের স্পিনার কার্তিক মায়াপ্পান। টানা ৩ বলে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে কাঁপিয়ে দেন শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং। নির্ধারিত ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা করেছে ১৫২ রান। জিততে হলে আমিরাতকে করতে হবে ১৫৩ রান।

মায়াপ্পান যে ওভারে হ্যাটট্রিক করেছেন সেটি ছিল তার তৃতীয় ওভার। সেই ওভারের শেষ ৩ বলে একে একে ফিরিয়ে দেন ভানুকা রাজাপাকসে, চারিথ আশালঙ্কা ও অধিনায়ক দানুশ শানাকাকে। শেষের দুজন ফেরেন শূন্য রানে। চলতি বিশ্বকাপে এটি প্রথম হ্যাটট্রিকের নজির।

৩ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে মায়াপ্পান পুরো ম্যাচের চেহারাই বদলে দেন। মায়াপ্পানের এই হ্যাটট্রিকের আগে মনে হচ্ছিল শ্রীলঙ্কা বড় স্কোর গড়তে চলেছে। কিন্তু মায়াপ্পানের মায়াবী স্পিনে যেন আটকে গেল শ্রীলঙ্কা। ১৬ ওভারের খেলা শেষে শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১২১ রান।

বাকি ৪ ওভারে শ্রীঙ্কার স্কোরে যোগ হয়েছে মাত্র ৩১ রান। এ সময় সাজঘরে ফিরেছে আরও ২ উইকেট। দলের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ৭৪ রান করেছেন পাথুম নিশাঙ্কা।

সুপার টুয়েলভে খেলতে হলে শ্রীলঙ্কার জন্য জয়ের সঙ্গে রানরেটও একটা বড় বিবেচ্য বিষয়। গ্রুপে টানা দুই ম্যাচ জিতে নেদারল্যান্ডস এখন পয়েন্টের শীর্ষে আছে। এই গ্রুপে যে সমীকরণ তাতে নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া, শ্রীলঙ্কা—এ তিন দলের পয়েন্টই সমান ৪ করে হতে পারে।

সে ক্ষেত্রে সুপার টুয়েলভের জন্য রানরেট অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে রানরেট যাতে ভালো থাকে সেই চিন্তা এবং তার প্রয়োগ নিয়েই খেলতে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা।

শ্রীলঙ্কা আমিরাতের জন্য যে লক্ষ্য দেয় তা মোটামুটি বড়ই বলা যায়। লক্ষ্য তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার বোলারদের কাছে অসহায় হয়ে পড়ে আমিরাতের ব্যাটাররা।

১৫ রানে প্রথম উইকেট হারানো দলটি ৫৬ রানের মধ্যেই ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন ৭ নম্বরে নামা আয়ান আফজাল খান। তিনজন ছাড়া আর কেউই ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘর।

লঙ্কানদের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন দুশমন্থ চামিরা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। দুটি উইকেট পেয়েছেন মহিশ থিকশানা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

GIPHY App Key not set. Please check settings

১০ বছর পর বিশ্বজিৎ হত্যার আসামি গ্রেপ্তার

সুপার টুয়েলভে নেদারল্যান্ডসের এক পা