in

উৎসব ছাড়াই স্কুলে স্কুলে নতুন বই বিতরণ শুরু

খ্রিস্টীয় নতুন বছরের প্রথম দিনে উৎসব না হলেও সারা দেশে একযোগে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে বই। প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণির প্রায় সোয়া চার কোটি শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে ঝকঝকে তকতকে নতুন পাঠ্যবই।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এ বছরও বই উৎসব হয় নাই। শনিবার থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হচ্ছে। এবারের শিক্ষাবর্ষে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮৫৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩৪ কোটি ৭০ লাখ ২২ হাজার ১৩০ কপি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে।

এসব বইয়ের মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতিতে পাঠ্যপুস্তক ও ৫টি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকও রয়েছে। তবে, এ বছরের প্রথমদিনে সব শিক্ষার্থীকে বই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা ।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘পাঠ্যপুস্তক উৎসব’ উদ্বোধন করেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গণমাধ্যমে বলেন, নতুন বছরের জন্য ৯৫ শতাংশ বই তৈরি হয়েছে। এসব বই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাকি ৫ শতাংশ বই স্কুলগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, মোট প্রায় ৩৮ কোটি বইয়ের মধ্যে মাধ্যমিকের ২১ কোটি বই মুদ্রণ ও বাঁধাই করা হয়েছে। বাকি ১৭ কোটির বেশি বই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হয়েছে। অবশিষ্ট বই শিগগিরই স্কুল পর্যায়ে পাঠানো হবে।

বর্তমান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১২ সাল থেকে বই বিতরণ উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিচ্ছে। এরই র ধারাবাহিকতায় সারাদেশে একযোগে বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে বই বিতরণ হয়ে আসছে।

মাধ্যম ডেস্ক/

Leave a Reply

Your email address will not be published.

GIPHY App Key not set. Please check settings

বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বর্তমানে আমাদের কূটনীতি হবে বাণিজ্যিক : প্রধানমন্ত্রী