in

১০ বছরের সাজা নিয়ে দেশ ছাড়লেন হাজী সেলিম

♦ডেস্ক, মাধ্যম: ১০ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে দেশ ছেড়েছেন আওয়ামী লীগের এমপি হাজী সেলিম। কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে গত শনিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে যান সেলিম। সোমবার হাজী সেলিমের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। খবর>নিউজ২৪টিভি

হাজী সেলিম শনিবার তিনটি গাড়ির একটি বহর নিয়ে প্রথমে যান আজিমপুর কবরস্থানে।

সেখানে কবর জিয়ারত শেষে যান বিমানবন্দরে। তবে এ সময় তার সঙ্গে পরিবারের কেউ ছিলেন না। ওই ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, গাড়ির চালকও আগে থেকে জানতেন না তারা কোথায় যাচ্ছেন। সূত্রটি জানায়, হাজী সেলিম চিকিৎসার কথা বলে ব্যাংকক গিয়েছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ঘনিষ্ঠ কেউই যাননি। তবে হাজী সেলিমের যাওয়ার আগে বা পরে ঘনিষ্ঠ কেউ ব্যাংকক গিয়ে থাকতে পারেন।

হাজী সেলিমের বড় ছেলে সোলাইমান সেলিম গতকাল একটি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রশ্নের জবাবে স্বীকার করেছেন যে, তার বাবা এখন দেশের বাইরে। আজ সোমবার বিকেলে এ বিষয়ে জানতে সোলাইমান সেলিমকে ফোন করলে পাওয়া যায়নি।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে হাজী সেলিমের ১০ বছর সাজা বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এ আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অথচ এ সময়সীমার মধ্যেই দেশ ছাড়লেন তিনি।

দুর্নীতির মামলায় এক যুগ আগে বিচারিক আদালতের রায়ে হাজী সেলিমের ১৩ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাজী সেলিম হাইকোর্টে আপিল করেন। এই আপিলের শুনানি নিয়ে গত বছরের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়। গত ২৫ এপ্রিল তার সাজার রায় পৌঁছায় নিম্ন আদালতে। সেখানে বলা হয়েছে, তার হাতে সময় আছে ৩০ দিন। আর সব বিবেচনায় রায় মেনে নিয়ে জেলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। হাজী সেলিমের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা ওই সময় বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। সে হিসেবে ঈদের পরই আত্মসমর্পণ করার কথা ছিলো হাজী সেলিমের। এরপর আপিল বিভাগে জামিন আবেদন করার কথা ছিলো।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম বলেন, সাজাপাপ্ত আসামি হওয়ায় হাজী সেলিমের সংসদ সদস্য পদে আর নেই বলে আমি মনে করি। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে যেতে পারেন না। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার কারণেই বিদেশ যেতে পারেননি। হাজী সেলিমেরও বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

GIPHY App Key not set. Please check settings

স্বামী ও নানাকে নিয়ে উড়াল দিলো পরি

শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ