in

১৯০-এ শেষ করলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

১৯০-এ শেষ করলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

মাধ্যম” অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি।

বিপিএল : দিনের ম্যাচে রান খরা, সন্ধ্যার ম্যাচে রান বন্যা। এমন সমীকরণেই চলছে বিপিএলের মিরপুর পর্ব। আজ (২৪ জানুয়ারি) লো-স্কোরিং প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেই প্রায় ২০০ ছুঁইছুঁই রান। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আগে ব্যাট করে পেলো ৭ উইকেটে ১৯০ রানের বড় সংগ্রহ।

চট্টগ্রামকে শুরুতেই দারুণ কিছু উপহার দেন কেনার লুইস ও উইল জ্যাকস। শুরুতে লুইস-জ্যাকসের ঝড়, মাঝে সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজের দৃঢ়তা ও শেষদিকে বেনি হাওয়েলের ঝড়। সর্বোচ্চ ৩৪* রান বেনি হাওয়েলের ব্যাটে, ৩২ রান করেন সাব্বির, ৩০ রান আসে মিরাজের ব্যাটে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। লুইস ও জ্যাকস ছিলেন দারুণ আক্রমণাত্মক। সোহরাওয়ার্দী শুভর করা ইনিংসের প্রথম ওভারেই আসে ২৩ রান। যা বিপিএল ইতিহাসে প্রথম ওভারে সর্বোচ্চ রান। স্লগ সুইপে হাঁকানো লুইস-জ্যাকসের ছক্কা দুইটি ছিলো দেখার মতো।

কামরুল ইসলাম রাবির করার পরের ওভারেই অবশ্য ফিরেছেন জ্যাকস। তার আগেই হাঁকান আরও এক ছক্কা, ৭ বলে থেমেছেন ১৭ রান করে। জ্যালস বিদায় নিলেও লুইস ছিলেন ছন্দে। নাভিন উল হকের করা তৃতীয় ওভারে আসে ১৬ রান, ওই ওভারেও লুইস হাঁকান একটি করে চার-ছক্কা। ৩ ওভারেই চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের স্কোরবোর্ডে ৪৮ রান।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই অবশ্য ফিরতে হয় লুইসকে। ১৪ বলে সমান ২ টি করে চার-ছক্কায় তার ব্যাটে ২৫ রান। জ্যাকস-লুইসের বিদায়ের পর অবশ্য রানের গতি হয়েছে ধীর। পাওয়ার প্লে-তে ২ উইকেটে ৬৪।

মাঝে ১৩ বলে ১৫ রান করে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন আফিফ হোসেন। সাব্বির রহমান ছিলেন ইতিবাচক। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে যোগ করেন ৪৮ রান। ফরহাদ রেজার করা ১৩তম ওভারে অবশ্য জীবন পান দুজনেই। তবে তা কাজে লাগিয়ে খুব বেশি দূর যেতে পারেননি।

১৪তম ওভারে নাভিন উল হককে টানা ৩ চার মেরে মিরাজ আউট হন স্কুপ খেলতে গিয়ে। ২৩ বলে ৪ চারে তার ব্যাটে ৩০ রান। পরের ওভারে থিসারা পেরেরাকে দারুণ এক পুল শটে ছক্কা হাঁকান সাব্বির। পুরো ইনিংসে ওই একটাই বাউন্ডারি তার, আউট হন ফরহাদ রেজার বলে ৩৩ বলে ৩২ রান করে।

প্রথম দুই ম্যাচের মতো এদিনও সাবলীল এক ইনিংস খেলেন বেনি হাওয়েল। কামরুল ইসলাম রাব্বির করা ১৭তম ওভারেই আসে ২১ রান। ১৯তম ওভারে অফ স্টাম্পের বাইরের বলকে যেভাবে বোলার নাভিন উল হকের মাথার উপর দিয়ে চারে পরিণত করেন হাওয়েল তাতে মুগ্ধই হতে হবে।

একই ওভারে শামীম পাটোয়ারী (৯) রান আউট হলেও হাওয়েল হাঁকান আরও দুই চার। ওভারের শেষ বলে আগেই স্কুপ খেলার মানসিকতা হাওয়েলের, বোলার বুঝতে পেরে দিলেন ওয়াইড ইয়র্কার, সেটিকেই শর্ট থার্ড ম্যানের উপর দিয়ে বানালেন বাউন্ডারি। শেষ ওভারে নাইম ইসলামও যোগ দেন ছক্কা হাঁকানোতে, ৪ বলে করেন ১৪ রান। হাওয়েল ২০ বলে ৪ চার ১ ছক্কায় অপরাজিত ৩৪ রানে। শেষ ৫ ওভারে আসে ৬২ রান। চট্টগ্রামের স্কোরবোর্ডে ৯ উইকেটে ১৯০।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

GIPHY App Key not set. Please check settings

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ মৃত্যু, ১৫ হাজার ৫২৭ জন

ঢাকায় মিলেছে ওমিক্রনের তিন উপধরন: গবেষণা

চট্টগ্রামের কাছে খুলনার হার

চট্টগ্রামের কাছে খুলনার হার