in

২৩ বছর পর বন্ধুত্বের টানে মিলন মেলা

প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা: সবশেষ কবে কার সঙ্গে দেখা হয়েছে, অনেকেই তা মনে করতে পারলেন না। দুরন্তপনার সেই স্কুল জীবন ডিঙিয়ে যখনই জীবিকার ভার পড়েছে, তখনই সবাই ছুটেছেন যে যার মতো। সময় পাল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে মানুষগুলো। কিন্তু স্মৃতিচারণায় স্কুল জীবনের যে কথাগুলো উঠে এল, সেগুলো বড্ড চেনা।

বন্ধুর বন্ধন মিলন মেলা- ৯৯ এর শতাধিক বন্ধু একসঙ্গে সারা দিন আড্ডা, খাওয়া, ছবি তোলা, নাচ, গানে মশগুল ছিল। এখানে ছিল না কোনো অভিভাবক, এমনকি জুনিয়ররাও। ফলে আমরা নিজেদের মধ্যে আলাপচারিতায় দিনটি চমৎকার উপভোগ করেছি। যেন হারিয়ে গেছি সেই ১৯৯৯ সালে যখন আমরা এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি।

১৮ নভেম্বর জেলার অদূরে ডিসি ইকো পার্র্কে বন্ধুদের মিলন মেলা ইতিহাসে এক বিরল ঘটনার জন্ম দিল। দিনব্যাপী বন্ধুদের নিয়ে বিশাল আয়োজন ছিল। এর নেপথ্যে কারিগর কারিম হোসেন বকুল ও আশরাফুল হক রতন।

বন্ধু আশরাফুল হক রতনের দোকান আমাদের জন্য এই কয় দিন ছিল আড্ডার জায়গা, সময়মতো লাঞ্চ, চা রেডি, বন্ধুদের উৎসাহ দিয়ে সব চাপ হাসিমুখে নিয়ে কীভাবে বন্ধুর বন্ধন সফল করা যায়, তার ব্যাপারে অক্লান্তভাবে কাজ করছিল। এ আয়োজন করতে অনেক বন্ধু অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে। স্থান সংকুলানে সব বন্ধুর নাম লিখতে পারছি না। বন্ধু, ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখো।

দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে র‌্যালী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বন্ধুদের পরিচিতি সভা, র‌্যাফেল ড্র ও কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি হয়।

অনুষ্ঠানে সাইদুর রহমান সভাপতি, সানোয়ার হোসেন টিটন সাধারণ সম্পাদক ও আশরাফুল হক রতনকে অর্থ-সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

GIPHY App Key not set. Please check settings

কৃষ্ণা-সাবিনাদের ৫ লাখ করে টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী